BCS,Bank and University English Preparation Part-1

English Preparation for BCS,Bank,Govt Job and University  Admission Exam 

ইংরেজিতে দুর্বলতার কারণে অনেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভোগেন। আজকে রইলো বিসিএস পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ের উপর পরামর্শ।

ইংরেজীঃ ৩৫ নম্বর

আসুন সিলেবাসে চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক-  PART- I : Language 20 নম্বর।

  • A) Parts of Speech: The Noun (The Determiner, The Gender, The Number), The Pronoun, The Verb-(The Finite: transitive, intransitive; The Non-finite: participles, infinitives, gerund; The Linking Verb, The Phrasal Verb, Modals), The Adjective, The Adverb, The Preposition, The Conjunction.
  • B) Idioms & Phrases: Meanings of Phrases, Kinds of Phrases, Identifying Phrases
  • C) Clauses: The Principal Clause, The Subordinate Clause (The Noun Clause, The Adjective Clause, The Adverbial Clause & its types).
  • D) Corrections: The Tense, The Verb, The Preposition, The Determiner, The Gender, The Number, Subject-Verb Agreement
  • E) Sentences & Transformations: The Simple Sentence, The Compound Sentence, The Complex Sentence, The Active Voice, The Passive Voice, The Positive Degree, The Comparative Degree, The Superlative Degree.
  • F) Words: Meanings, Synonyms, Antonyms, Spellings, Usage of words as various parts of speech, Formation of new words by adding prefixes and suffixes.
  • G) Composition: Names of parts of paragraphs/letters/applicationsলক্ষ্য করুন, সিলেবাসে মোটামুটি একটা গ্রামার বইয়ের সূচীপত্র তুলে দেয়া হয়েছে। তারপরেও একটা ডিটেইলস কিছু যে আছে সেটা ভালই হয়েছে। আর ভোকাবিউলারিকে গ্রামারের সাথে দেয়া হয়েছে।

ইংরেজীর জন্য বই:

English for Competitive Examination – এ বইটা আগের বছরের বিসিএস এবং অন্যান্য পরীক্ষার প্রশ্নের সলিউশনের জন্য অনেকেই অনুসরণ করে। কিছু ভুল বাদ দিলে এটা থেকে প্রশ্নের ভাল ধারণা হয়। ইংরেজির সব গাইডই ভুলে ভরা, তাই সাবধান হতে হবে। এই বইটা থেকে আগের বছরের প্রশ্ন সমাধান হবে, কিন্তু গ্রামারের বিস্তারিত নিয়ম পড়া হবে না। গ্রামার এর জন্য যে কোন ইন্টার মিডিয়েট লেভেলের গ্রামার বইয়েই চলবে। আগে যেটা পড়েছেন সেটাই পড়ুন। আগে যারা P. C. Das, বা Wren & Martin English Grammar পড়েছেন, তাঁরা অবশ্যই এগুলোই পড়বেন। আর আগে যারা এগুলো পড়েননি, তাঁরা ৩৫-তমের জন্য এখন এগুলো শুরু করার দরকার নেই। অন্য যেটা পড়েছেন, তাতেই হবে। সেটা Advance Learners এর মত হলেও চলবে। এখন এই গ্রামার বই আপনাকে বেসিক নিয়ম শিখাবে, তাতেই ৭০% কাজ হয়ে যায়। কিন্তু এইসব গ্রামার বইতে চাকরির প্রশ্নের মত করে নিয়মগুলো অনেক সময়ই দেয়া থাকে না। তাই গ্রামারের নিয়মের জন্য বাজারের যে কোন জব গ্রামার বই ([email protected]’s, mentors, oracle যা আছে বাজারে- যে কোনটা) দেখুন।

 

এবার গ্রামারের যে সব টপিক সিলেবাসে দেয়া আছে সেগুলো দেখি:

প্রথমে দেখি G) Composition: Names of parts of paragraphs/letters/applications:

এখানে ২টা জিনিসের কথা বলা হয়েছে।
(১) ইংরেজী চিঠি/এপ্লিকেশানের বিভিন্ন অংশের নাম – এটা তো আমরা স্কুলে vii-viii এ পড়েছি। ওই ক্লাসের গ্রামার বইয়ে এখনো আছে। নিজে খাতায় লিখে ফেলতে পারেন। আর সহজ জিনিস, তাই নতুন যে বিসিএস গাইডগুলো বের হবে তাতে থাকবে।
(২) parts of paragraphs: একটা প্যারাগ্রাফের কি কি অংশ থাকে সেটা সিলেবাসে আছে। এটা নতুন সংযোজন মনে হচ্ছে। কিন্তু জিনিস সোজা। একাডেমিক রাইটিংয়ে একটা paragraph-এ ৩টা পার্ট থাকেঃ (i)Topic Sentence (ii) Body বা supporting sentence (iii) Concluding Sentence.

আমি একটা উদাহরণ দেই। ধরুন, আমি একটা আর্টিকেল লিখছি – ‘Why Bangladeshi Peacekeepers are more reliable than the Pakistani peacekeepers.’ আসলে আমি থিসিস করছি শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সাফল্য – অন্য দেশের সাথে আমাদের তুলনা নিয়ে। তাই এই উদাহরণটাই মাথায় আসল। যাই হোক, ধরুন এতে বাংলাদেশ যে ভাল, তার কয়েকটা ইস্যু খুঁজে পেলাম। এখন যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে লিখলে সেটা একাডেমিক রাইটিং হবেনা। প্রতিটা ইস্যুর জন্য একটা করে paragraph লিখব।

ধরি ১ম ইস্যু হলো – বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যাকগ্রাউন্ড আর পাকিস্থানের সামরিক শাসনের কারণে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে অধিক গ্রহণযোগ্য মনে করে। এই ইস্যুটা নিয়ে যে paragraph টা লিখব তাতে তিনটা অংশ থাকবে। (i)Topic Sentence (ii) Body বা supporting sentence (iii) Concluding Sentence. এখানে Topic Sentence মানে প্রথম বাক্যে–এ শুধু ইস্যুটা বলব। মানে ‘main idea’ টা। এই বাক্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে যে, এই paragraph টা কি নিয়ে লিখব। মানে এই topic sentence দিয়ে paragraph টাকে control করা হয়। যাতে অন্য বিষয় চলে না আসে। তাই topic sentence কে controlling sentence বা controlling idea বলা হয়। Topic Sentence এর পর কয়েকটা বাক্যে এই ইস্যুটিকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করলো। এই ডিটেইলস অংশকে বলে Body বা supporting sentence. এতে উদাহরণ, কোটেশান, কারণ, ডেটা (reasons, examples, statistics, facts, quotations) এসব থাকবে। আর সবশেষ বাক্যে আবার পুরো paragraph টাকে summarize করে। এজন্য শেষ বাক্যটিকে Concluding Sentence বা Concluding remark বলে।

সিলেবাসের গ্রামার অংশের (A) থেকে (E) তে শুধু টপিকের নাম। এগুলো গ্রামার বই থেকে পড়ে ফেলুন। এখানে Transformation of Sentence আর Correction এর টপিক সরাসরি দেয়া আছে। এই এই টপিকগুলোতে জোর দিন। মানে আগে যেমন কারেকশানের কোন আগা-মাথা ছিল না, এখন ধারণা করা যাবে কোথা থেকে আসবে।

(F) Words: Meanings, Synonyms, Antonyms, Spellings, Usage of words as various parts of speech, Formation of new words by adding prefixes and suffixes:

এখানে ভোকাবিউলারি আর, নতুন শব্দ গঠনের কথা বলা হয়েছে। বাজারের যে কোন ভোকাবিউলারি বইতেই চলবে। অবশ্যই আগের প্রশ্ন প্রথমে সমাধান করবেন। আর যারা সময় নিয়ে ভোকাবিউলারি পড়তে চান, তাঁরা Word Smart (I &II) পড়তে পারেন। এছাড়া ভোকাবিউলারির জন্য আমার তৈরি করা ১২ টা ভিডিও টিউটোরিয়াল Youtube এ আছে, ওগুলো ডাউনলোড করে কয়েকবার শুনতে পারেন। ‘Sujan Debnath’ বা ‘অব্যয় অনিন্দ্য’ লিখে Youtube –এ সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে।

PART- II: Literature 15:

সিলেবাসঃ [English Literature: Names of writers of literary pieces from Elizabethan period to the 21st Century. Quotations from drama/poetry of different ages।] মানে লেখকের নাম, বইয়ের নাম আর কোটেশান। সেটা এলিজাবেথান পিরিয়ড থেকে আধুনিক পর্যন্ত। এইটা একটু নতুন সংযোজন। মানে ১৫ নম্বর এখান থেকে আসবে, তাই এটার দিকে নজর দিতেই হবে। আমি চেষ্টা করব, সময় পেলে ইংরেজী সাহিত্যের উপর একটা বড় আর্টিকেল লিখতে। তবে আমি এই বিষয়ে দক্ষ নই। তবুও এখানে দু’এক লাইন করে লিখে দিচ্ছি। যাতে যারা আগে পড়েননি তাঁরা শুরু করতে পারেন। যাতে গাইড থেকে বা অন্য কোথাও পড়লে যেন মনে না হয় – এম্মা, এগুলো কি!

Periods of English Literature:

Elizabethan period (1558–1625): রাণী প্রথম এলিজাবেথ আর রাজা জেমস-১ এর শাসনকালে ট্রাজেডি ভিত্তিক থিয়েটারের যুগ। এই সময়ের বিখ্যাতদের মধ্যে Edmund Spenser, William Shakespeare, Ben Jonson, and Christopher Marlowe এরকম কয়েকজন। এদের কিছু বইয়ের নাম, ২/১টা কোটেশান আর শেক্সপিয়ারের জন্ম-মৃত্যুসহ বিস্তারিত জানতে হবে।

Neo-Classical Period (1660–1798): আঠার শতকের শেষ পর্যন্ত এই যুগ। এর আবার তিনটা ভাগ আছে। এযুগের কয়েকজন বিখ্যাত সাহিত্যিক হলেন John Milton (ওনার Paradise Lost এর কথা আমরা জানি), Alexander Pope, Jonathan Swift, Samuel Johnson (১ম ইংরেজী ডিকশনারি এই জনসনের)।

Romanticism (1798–1837): ১৭৯৮ সালে William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge কিছু গীতিকবিতা লিখেন, যেগুলোকে Lyrical Ballads বলে। আমাদের HSC তে এই S. T. Coleridge এর ‘The Ancient Mariner’ ছিল ইংরেজী বইয়ের প্রথম গল্প। আসলে আমাদের জন্য এটা গল্প আকারে দেয়া হয়েছিল। এটা ছিল তাঁর কবিতা ‘The Rime of the Ancient Mariner’- ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত। এর বিখ্যাত লাইনগুলো আমরা শুনেছি-
“Water, water, everywhere, // And all the boards did shrink; // Water, water, everywhere, // Nor any drop to drink”

একেবারে রবীন্দ্রনাথ বা তাঁর আগের বিহারীলালের ছন্দের মত, তাই না? এগুলো গীতিকবিতা।

যাই হোক, এটা প্রকাশের সাথেই শুরু হয় ইংরেজী সাহিত্যের রোমান্টিক যুগ। তাহলে রোমান্টিক যুগের বিখ্যাতরা হলেন William Wordsworth, Samuel Taylor Coleridge, William Blake. এরা হলেন রোমান্টিক যুগের ফার্স্ট জেনারেশন। আর সেকেন্ড জেনারেশান রোমান্টিক কবিরা হলেন বায়রন, শেলী, কিটস (Lord Byron, Percy Bysshe Shelley, John Keats). ১৮৩৭ সালে রাণী ভিক্টোরিয়া সিংহাসনে বসেন। এরপর শুরু হয় ভিক্টোরিয়ান যুগ।

Victorian literature (1837–1901): রাণী ভিক্টোরিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ থেকে এই যুগ। এই যুগে উপন্যাস জনপ্রিয় মাধ্যম হয়। এযুগের বিখ্যাতদের মধ্যে Charles Dickens, George Eliot, Robert Browning, Alfred Lord Tennyson ইত্যাদি। ডিকেন্সের কথা আমরা জানি। ফরাসী বিপ্লবের পটভূমিতে প্যারিস আর লন্ডনকে নিয়ে লেখা তাঁর “A Tale of Two Cities” তো বেস্ট সেলিং বই। আর টেনিসন ছিলেন রানী ভিক্টোরিয়ার রাজকবি।

১৯০১ সাল থেকে আধুনিক যুগ। এসময়ের কিছু বইয়ের লেখকের নাম জানতে হবে। টি এইচ এলিয়ট থেকে আজকের চেতন ভগত যে কেউই হতে পারে। কিছু বইয়ের নাম বার বার জোরে জোরে বলবেন, অন্য কাউকে শোনাবেন।

এই যুগবিভাগে বিভিন্ন জায়গার কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। তাই গাইডে বা অন্য কোথাও কিছু অমিল বা উপযুগ বা কোন বিশেষ যুগের সাহিত্যের বিস্তারিত শ্রেণীভাগ থাকতে পারে।

 

Next Page

 

If you want to get each and every post, Just press your Keyboard (CTRL+D) to Bookmark our Website

 Follow and Join our Facebook Group Page & Social Site to Get Update daily…

 Facebook Group Page     Twitter        Google Plus

 
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *